খাল, নালা ও পুকুর শহরের পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক পথ। এগুলো আবর্জনায় ভরাট বা দখল হয়ে গেলে সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা হয়, মশা বাড়ে, রোগ ছড়ায়।
কেন জরুরি
- খোলা ও গভীর খাল বৃষ্টির পানি দ্রুত সরিয়ে নেয়, ফলে রাস্তা ও ঘরে পানি জমে কম।
- পরিষ্কার জলাশয়ে মাছ ও জলজ প্রাণ ফিরে আসে এবং মশার লার্ভা খাওয়া মাছ তা নিয়ন্ত্রণে রাখে।
- পুকুর ও খালের পাড় বসার ও খেলার জায়গা হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
- ভূগর্ভস্থ পানির স্তর রক্ষায় জলাশয় সহায়ক।
কীভাবে করা যায়
- খাল ও পুকুরের সঠিক সীমানা জরিপ করে প্রকাশ করা এবং নতুন করে ভরাট বন্ধ করা।
- নিয়মিত পরিষ্কারের রুটিন করা — বর্ষার আগে বিশেষ অভিযান।
- বাসাবাড়ি ও দোকানের ময়লা নালায় না ফেলে নির্দিষ্ট ডাস্টবিন ও সংগ্রহ-ব্যবস্থায় দেওয়া।
- খালের দু’পাশে ঘাস ও দেশি গাছ লাগানো যাতে মাটি না ধসে।
- স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পাড়া কমিটিকে দিয়ে প্রতিটি অংশের ‘দত্তক’ নেওয়ার ব্যবস্থা করা।
কিশোরগঞ্জের জন্য ভাবনা
কিশোরগঞ্জ পৌরসভার মজে যাওয়া পুকুরগুলো পরিষ্কার করে ব্যবহারোপযোগী করার উদ্যোগ আগেও শোনা গেছে। এ ধরনের কাজ ধারাবাহিক রাখা এবং নাগরিকদের নজরদারিতে যুক্ত করাই মূল চ্যালেঞ্জ।
আপনি কী করতে পারেন
আপনার এলাকার যে নালা বা পুকুর ময়লায় ভরা বা দখল হয়েছে, তার অবস্থান ও ছবি পোর্টালে জানান।
পোর্টালে আপনার কথা জানানছবিটি কল্পনানির্ভর চিত্র (এআই দ্বারা তৈরি) — ভাবনার ধারণা বোঝানোর জন্য; এটি কোনো বাস্তব প্রকল্পের আলোকচিত্র নয়। ছবির সূত্র